টেকভিশন২৪ ডেস্ক: শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা ও দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে দেশব্যাপী মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে ‘স্টার্টআপ, সায়েন্স প্রজেক্ট অ্যান্ড ইনোভেশন আইডিয়া শোকেসিং’ প্রোগ্রামের আয়োজন করা হয়েছে।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়াধীন মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের এডুকেশনাল এক্সিলেন্স সাপোর্ট স্কিম-এর আওতায় এই আয়োজনের মূল প্রতিপাদ্য, ‘মেধা, বিজ্ঞান, উদ্যোগ ও উদ্ভাবনের দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ।
সোমবার (২৯ জুন) আগারগাঁওয়ের বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে জাতীয় পর্যায়ের শোকেসিং প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। জাতীয় পর্যায়ে জেলা ও মহানগর পর্যায়ের সেরা ১০০টি দল অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে তাদের সৃজনশীল ও উদ্ভাবনী প্রজেক্ট উপস্থাপন করবে।
দুপুর ২টায় জাতীয় পর্যায়ের এই অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করবেন। জাতীয় পর্যায়ে প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতি একে ‘পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান’ থেকে রূপান্তর করে দেশের ‘ভবিষ্যৎ অর্থনৈতিক ও প্রযুক্তিগত বিপ্লবের’ একটি ঐতিহাসিক মাইলফলকে পরিণত করবে বলে আশা করা যায়।
সারাদেশের মাধ্যমিক পর্যায়ের ষষ্ঠ থেকে দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের অংশগ্রহণে এই প্রোগ্রাম বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। প্রতি দলে ৩ জন শিক্ষার্থী ও ২ জন শিক্ষক রয়েছেন।
গত ১২ জুন দেশের ৫২১টি উপজেলা ও মহানগরের শিক্ষা থানায় সফলভাবে এই শোকেসিং প্রোগ্রাম সম্পন্ন হয়েছে। উপজেলা পর্যায়ে ৮ হাজার ২৯টি দলে মোট ২৭ হাজার ২০৪ জন শিক্ষার্থী এবং ১৬ হাজার ৫৮ জন শিক্ষক অংশগ্রহণ করেছেন।
উপজেলা থেকে বাছাইকৃত ৫৪৬টি দল গত ১৪ জুন জেলা পর্যায়ে তাদের স্টার্টআপ, সায়েন্স প্রজেক্ট ও ইনোভেশন আইডিয়া প্রদর্শন করেছে। সেদিন বিএএফ শাহীন কলেজ মিলনায়তনে ঢাকা জেলা পর্যায়ের অনুষ্ঠানে সম্মানিত প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত হয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সহধর্মিণী ও জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট ডা. জুবাইদা রহমান ক্ষুদে উদ্ভাবকদের অনুপ্রেরণা প্রদান করেন এবং বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করেন। উপজেলা ও জেলা পর্যায়ে আড়ম্বরের সঙ্গে আয়োজিত এসব শোকেসিং প্রোগ্রামে স্থানীয় সংসদ সদস্য ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ প্রধান অতিথি হিসেবে অংশগ্রহণ করেন। উপজেলা ও জেলা পর্যায়ের এই স্টার্টআপ, সায়েন্স প্রজেক্ট ও ইনোভেশন আইডিয়া শোকেসিং প্রোগ্রামের মাধ্যমে স্থানীয় অনেক সমস্যার স্থানীয় সমাধানের উপায় খুঁজে পাওয়া যাবে। এ ছাড়া স্টার্টআপের মাধ্যমে স্থানীয় পর্যায়ে উদ্যোক্তা সৃষ্টির পথ উন্মোচিত হবে।
প্রদর্শিত দলগুলোর মধ্য থেকে সেরা ১০টি দলকে ট্রফি প্রদান করা হবে। প্রোগ্রামের মাধ্যমে অংশগ্রহণকারী শিক্ষকদের মধ্য থেকে ‘সু-শিক্ষায় মেধাবী শিক্ষক পুরস্কার’ এবং শিক্ষার্থীদের মধ্য থেকে ‘উদ্ভাবনী মেধাবী শিক্ষার্থী পুরস্কার’ প্রদান করা হবে। ‘সু-শিক্ষায় মেধাবী শিক্ষক পুরস্কার’-এর জন্য মনোনীত শিক্ষকরা পুরস্কার হিসেবে ৩০ হাজার টাকা ও একটি সনদপত্র পাবেন। এ ছাড়া ‘উদ্ভাবনী মেধাবী শিক্ষার্থী পুরস্কার’-এর জন্য মনোনীত শিক্ষার্থীরা পুরস্কার হিসেবে ২০ হাজার টাকা ও একটি সনদপত্র পাবে।



