ডিজিটাল সার্বভৌমত্ব গড়ে তুলতে চায় বর্তমান সরকার। ক্ষমতাসীন দল বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহারেও দেওয়া হয়েছে এ নিয়ে প্রতিশ্রুতি। তবে এ খাতের বাস্তবতা ভিন্ন। প্রতিনিয়ত বাড়ছে ব্যান্ডউইথের ব্যবহার। চাহিদার ৫০ শতাংশই ভারত থেকে আমদানি করা হচ্ছে। এজন্য প্রতিবছর গুণতে হচ্ছে সাড়ে ৭শ’ কোটি টাকার বেশি মূল্যবান বৈদেশিক মুদ্রা।
ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (আইএসপিএবি) সভাপতি এম এ হাকিম বলেছেন, ডিজিটাল সার্বভৌমত্বের প্রথম পদক্ষেপ হওয়া উচিত, স্থানীয় বিনিয়োগ দিয়ে ইন্টারন্যাশনাল কানেক্টিভিটি তৈরি করে ফেলা। যদি বর্তমান সরকার আমাদেরকে সাহায্য-সহযোগিতা করে আমরা খুবই দৃঢ় বিশ্বাসী, এই বছরের মধ্যভাগ জুন-জুলাইয়ের মধ্যে আরও তিনটি সাবমেরিন ক্যাবল সেবায় যুক্ত হওয়া সম্ভব।
ব্যান্ডউইথের ওপর বিদেশ নির্ভরতা কাটাতে বেসরকারি সাবমেরিন ক্যাবল স্থাপনের জন্য লাইসেন্স দেওয়া হয় তিনটি প্রতিষ্ঠানকে। ৬শ’ কোটি টাকা বিনিয়োগ করে সিঙ্গাপুর থেকে মিয়ানমার পর্যন্ত জলসীমায় ক্যাবল স্থাপনের কাজও শেষ হয়েছে। তবে রহস্যজনক কারণে বাংলাদেশের জলসীমায় ক্যাবল স্থাপনের জন্য জাহাজ প্রবেশের অনুমতি মিলছে না।
সামিট কমিউনিকেশন্সের চিফ টেকনোলজি অফিসার কে এম তারিক উজ জামান বলেন, পাঁচটা মন্ত্রণালয়-সংস্থা থেকে ইতোমধ্যে আমরা অনুমোদন পেয়ে গেছি। কিন্তু চারটা জায়গা থেকে এখন পর্যন্ত আমরা আসলে অনুমোদন পাই নাই। আমাদের আবেদনের সময় প্রায় এক বছরের বেশি অতিক্রান্ত হয়ে গেছে। তাই এই কাজটা এখন শুরু করতে পারছি না। -যমুনা টিভি অনলাইন অবলম্বনে




