চট্টগ্রাম ও সিলেটের সেরা পাঠাও হিরোদের হাতে খাস ফুডের ঈদ বাজার

এইবার চট্টগ্রাম ও সিলেটের সেরা পাঠাও হিরোদের হাতে খাস ফুড-এর ঈদ বাজার তুলে দিল পাঠাও
এইবার চট্টগ্রাম ও সিলেটের সেরা পাঠাও হিরোদের হাতে খাস ফুড-এর ঈদ বাজার তুলে দিল পাঠাও

টেকভিশন২৪ ডেস্ক: বাংলাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় ও সর্ববৃহৎ ডিজিটাল সার্ভিস প্লাটফর্ম পাঠাও এবং খাস ফুড-এর সমন্বয়ে সেরা পাঠাও হিরোদের মাঝে কোরবানি ঈদের বাজার তুলে দিয়েছে পাঠাও। পাঠাও অ্যাপে, গ্রাহকদের অর্ডার ডেলিভারি ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ স্কোর করা শীর্ষ পাঠাও হিরোদের পুরস্কৃত করতে (ফুড,বাইক,কার,পার্সেল ও কুরিয়ার মার্চেন্ট) এই আয়োজন করা হয়ে থাকে।

সম্প্রতি, দেশের চট্টগ্রাম ও সিলেটের হেড অফিসে বিশেষ অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে এই কোরবানি ঈদের বাজার তুলে দেয়া হয়। ঢাকার পরে এইবার চট্টগ্রাম ও সিলেটের পাঠাও-এর সকল হিরোদের অনুপ্রাণিত করতে বছরে আবারও দ্বিতীয়বারের মত এই আয়োজন করা হয়েছে।

পাঠাও-এর পক্ষ থেকে মোঃ জাফর চৌধুরী (ডেপুটি ম্যানেজার, চট্টগ্রাম শাখা) এবং ভানু লাল দাস (জোনাল ম্যানেজার, সিলেট শাখা) শীর্ষ পাঠাও হিরোদের হাতে ঈদ বাজার তুলে দেন।

ঈদ বাজার বিতরণী অনুষ্ঠানে শীর্ষ ১০০ জন পাঠাও হিরোকে (ফুড,বাইক,কার,পার্সেল ও কুরিয়ার মার্চেন্ট) বাজার হিসেবে খাস ফুডের পক্ষ থেকে কালিজিরা রাইস, সরিষার তেল, হলুদ গুড়া, মরিচ গুড়া, হালিম মিক্স, লাচ্ছা সেমাই, কালো গোল মরিচ, তোকমা ও মেথি প্রদান করা হয়।

পাঠাও সম্পর্কে-২০১৫ সালে প্রতিষ্ঠিত পাঠাও বাংলাদেশের ডিজিটাল অবকাঠামো তৈরির মাধ্যমে নতুন সুযোগ সৃষ্টি, সাধারণ মানুষের ক্ষমতায়ন ও জীবনমানের উন্নয়নে ব্যাপক ভূমিকা পালন করে আসছে। পাঠাও বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ ডিজিটাল সার্ভিস প্ল্যাটফর্ম; রাইড শেয়ারিং, ফুড ডেলিভারি ও ই-কমার্স লজিস্টিকস সেবা খাতের শীর্ষ প্রতিষ্ঠান। পাঠাও আপনাদের সাথে আছে  ১ কোটিরও বেশি গ্রাহক এবং ৩ লক্ষ চালক-ডেলিভারি এজেন্ট, ১ লক্ষ মার্চেন্ট ও ১০ হাজার রেস্টুরেন্টের সুবিশাল নেটওয়ার্ক নিয়ে। এ পর্যন্ত বাংলাদেশে ৫ লক্ষেরও বেশি মানুষের কর্মসংস্থান তৈরি করেছে পাঠাও এবং তাঁদের উপার্জনক্ষম করে তোলার পাশাপাশি বাংলাদেশের ডিজিটাল অর্থনীতিতে ও অবদান রাখছে।

খাস ফুড সম্পর্কে– খাস ফুড নিশ্চিত করে যে কৃষকরা তাদের কঠোর পরিশ্রমের জন্য ন্যায্য মজুরি পান এবং ভোক্তারা কোন ভেজাল বা রাসায়নিক যোগ ছাড়াই ভাল মানের এবং প্রকৃত স্বাদের খাবার পান। খাস ফুড নিরাপদ এবং স্বাস্থ্যকর খাদ্য সরবরাহে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ যা শুধুমাত্র শরীরকে সুস্থ রাখে না বরং একটি উন্নত ভবিষ্যতের জন্যও অবদান রাখে। খাস ফুড প্রাধান্য দেয় খাদ্যের প্রাকৃতিক স্বাদ এবং পুষ্টির মানকে। খাস ফুড সমগ্র উৎপাদন প্রক্রিয়া জুড়ে সর্বোচ্চ বিশুদ্ধতা এবং সোর্সিং থেকে প্যাকেজিং পর্যন্ত, কঠোর মান নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করে।  খাস ফুডের চূড়ান্ত লক্ষ্য শুধুমাত্র উচ্চ মানের খাদ্য সরবরাহ করা নয়, বরং সমাজের বর্তমান ক্ষতিকর খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তন আনতে অনুপ্রাণিত করা।

উত্তর দিন

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন